কেন্দুয়ায় ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
জুন ১৭ ২০২৬, ১৪:৪১
কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি :
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় এক কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত সোমবার রাতে কেন্দুয়া থানায় নির্যাতিত শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি রুজু করেন।
মামলার অভিযুক্ত হাফেজ হেলাল উদ্দীন ওরফে হাফিজুর রহমান (৩০) উপজেলার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের কৈলাটি গ্রামের ‘আমিনা আজিজুল নুরে মদীনা হেফজুল কোরআন মাদ্রাসা’র মোহতামিম। সে জেলার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া রামনগর গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, অভিযুক্ত হেলাল উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসার মোহতামিমের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর ওপর পাশবিক নির্যাতনের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে রাতে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১২ জুন দুপুরে নির্যাতিত শিক্ষার্থী টয়লেট থেকে ফিরতে দেরি করলে তার মা এর কারণ জানতে চান। তখন মায়ের কাছে সে শিক্ষকের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা জানায়। পরে শিশুটির মা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ছয় থেকে সাত মাস ধরে ভিকটিম শিশুর ওপর এ ধরনের নির্যাতন চলছিল।
মাদ্রাসার পরিচালক আনিসুজ্জামান সিদ্দিকী জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘ ১২ বছর ধরে এই মাদ্রাসায় চাকরি করে আসছিলেন। তার বিষয়ে আগে কেউ এ ধরনের অভিযোগ তোলেনি। ঘটনা সত্য হলে আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
