গফরগাঁওয়ে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতার মাছের খামার দখলের অভিযোগ
মে ১৩ ২০২৬, ০৯:৩৮
ছবি : দৈনিক স্বজন
স্টাফ রিপোর্টার :
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার স্বল্পছাপিলা গ্রামে ছাত্রদল নেতা ও তার ভাইয়ের মাছের খামার দখল করে নিয়েছেন একই উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহ আকরাম খান তসলিম| আজ বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন মঈন খান নামের এক ছাত্রদল কর্মী| সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মঈন খান| তিনি জানান, তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রদল কর্মী| তার চাচাতো ভাই তুষার খান গফরগাঁও সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক| সংবাদ সম্মেলনে তুষার খানও উপস্থিত ছিলেন|
মঈন খানের দাবি, জুলাই আন্দোলনের পর গফরগাঁও উপজেলার স্বল্পছাপিলা গ্রামে নিজের জমি এবং লীজ নেওয়া জমিতে তারা মাছের খামার করে মাছ চাষ শুরু করেন| ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর গফরগাঁও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালেহ আকরাম খান তসলিম ভাড়াটে মান্তানদের নিয়ে তার খামারটি দখল করে নেন| দখলের পর দুই দফায় সাড়ে সাত লাখ টাকা মূল্যের মাছ লুট করে নেন| এরপর থেকে খামারটি সালেহ আকরামের দখলে আছে| ওই মাছের খামারে গেলে তাদের হত্যা করা হবে এরকম হুমকিও দিয়েছেন|
সংবাদ সম্মেলনে মঈন খান আরও জানান, দখল নেওয়া মাছের খামারটি ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সালেহ আকরাম লীজ নিয়ে পরিচালনা করতেন| কিন্তু জমির মালিকদের লীজের টাকা পরিশোধ না করায় জমির মালিকেরা সে লীজ বাতিল করেন| পরবর্তীতে প্রতি কাঠা জমির জন্য বছরে ৫ হাজার টাকা ভাড়া হিসাবে তারা লীজ নেন| পুকুরটি দখলের দিন বাধা দিলে মঈন খানের বড় ভাই সারোয়ার হোসেনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে সালেহ আকরামের লোকেরা| এ ঘটনায় গফরগাঁও থানায় মামলা করা হয়| মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারধীন রয়েছে|
ছাত্রদল নেতা মঈন খান বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে মাছের খামরটি দখলমুক্ত করার দাবি জানাই| পাশাপাশি লুট হওয়ার মাছের ক্ষতিপুরণ দেওয়া হোক| এছাড়া আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা প্রদান করা হোক|
তবে অভিযোগের বিষয়ে সালেহ আকরাম খান তসলিম বলেন, এ খামারে আমারও জমিও আছে| দখল নেওয়ার অভিযোগটি সত্য নয়|
