নালিতাবাড়ীতে এখনো জমেনি কোরবানির পশুর হাট, শেষ হাটের অপেক্ষায় ক্রেতা-বিক্রেতা

মে ১৯ ২০২৬, ১৬:৫৩

এম উজ্জ্বল, নালিতাবাড়ী, শেরপুর :
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে এলেও শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে এখনো পুরোপুরি জমেনি কোরবানির পশুর হাট। বিগত বছরগুলোতে এই সময়ে পশুর হাটগুলো জমজমাট থাকলেও এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) হাটে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পশুর আমদানি যেমন ছিল না, তেমনি ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল তুলনামূলক কম। আগামী বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে এবং তার আগে আগামী মঙ্গলবার নালিতাবাড়ীতে ঈদের সর্বশেষ হাট বসবে। ফলে খামারি ও ক্রেতা — উভয় পক্ষই সেই শেষ হাটের অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

হাটে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগেভাগে কোরবানির পশু না কেনার পেছনে বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ রয়েছে। ঈদের এখনো কয়েকদিন বাকি থাকায় এই মুহূর্তে গরু কিনলে লালন-পালন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাছাড়া অনেকের বাড়িতেই বাড়তি পশু রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। তাই বাড়তি ঝামেলা এড়িয়ে শেষ হাটে এসে দেখেশুনে পশু কেনার পরিকল্পনা করছেন অনেকে। কোরবানির পশুর হাটে আসা নালিতাবাড়ীর বাসিন্দা নিহাল মাহমুদ বলেন, যেহেতু নালিতাবাড়ীতে কোরবানি উপলক্ষে এটি প্রথম হাট তাই বিক্রেতারা অপেক্ষা করছেন দরদাম দেখেই বিক্রি করবেন। আর সন্ধ্যার পর অনেকেই গরু বিক্রি করবেন সারাদিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে। আড়াইআনী বাজারের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বলেন, “বৃহস্পতিবার ঈদ, আর মঙ্গলবার তো শেষ হাট আছেই। আগেভাগে গরু কিনলে এই কয়দিন রাখার জায়গা নাই, লালন-পালন করাও কষ্টের। তাই শেষ হাটেই কিনমু।”

খামারিরাও বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আরও ভালো দামের আশায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হাটে তিনটি গরু নিয়ে আসা স্থানীয় বিক্রেতা আব্দুর রহমান বলেন, “আইজ হাটে গরু কম, কাস্টমারও খালি দাম জিগায়। সামনে মঙ্গলবার শেষ হাট আছে, সবাই ওই আশাতেই অপেক্ষা করতাছে। আমরা খামারিরাও হেইদিন ভালো বেচাকেনার আশা করতাছি।”

সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, ঈদের আগের শেষ হাটকে ঘিরেই এবার নালিতাবাড়ীর কোরবানির পশুর মূল বেচাকেনা জমে উঠবে বলে আশাবাদী ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষই।

সর্বশেষ সংবাদ

১৩

[yt_playlist_v3 mainid="xcJtL7QggTI" vdid="xcJtL7QggTI,AheYbU8J5Tc,X0zGS4-UKgg,74SZXCQb44s,2M0XCH9q3YI"]