স্বজন ডেস্ক জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবগঠিত চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে থাকা নেতাদের একাংশ পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মাথায় বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে প্রথমে চার নেতার পদত্যাগের বিষয়টি জানানো হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এই চার জনসহ মোট ২২ নেতার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে যে চার নেতার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানানো হয়, তারা হলেন— কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসাংগঠনিক সম্পাদক রকিবুল হাসান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ, মাহতাব উদ্দীন আহমদ ও দফতর সম্পাদক রাফসান জানি রিয়াজ। সংবাদ সম্মেলনে তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই নেতাদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে ‘পকেট কমিটি’ দিয়ে চট্টগ্রাম নগর এনসিপির রাজনীতি ধ্বংসের পাঁয়তারার প্রতিবাদে তারা গণ–পদত্যাগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই কমিটির তালিকা প্রকাশ করে দলটি। এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এই কমিটি অনুমোদন দেন। ১৬৮ সদস্যের কমিটিতে মীর মোহাম্মদ শোয়াইব আহ্বায়ক, আরিফ মঈনুদ্দিন সদস্যসচিব।
শুক্রবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির মোট ২২ নেতার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। রাফসান জানির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ লিখিত আকারে এই ২২ নেতার সইসহ পদত্যাগপত্র এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন বরাবর পাঠানো হবে।
চট্টগ্রামে এনসিপির আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক যাত্রা শুরু হয় গত বছরে ৯ আগস্ট। সেদিন চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয় মীর আরশাদুল হককে। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। আরশাদুল হক ছাড়াও কমপক্ষে পাঁচ নেতাকর্মী সমন্বয়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে দুই জন বিএনপিতে যোগ দেন।